খাওয়ার উপযোগী জীব-জন্তু ও প্রাণী (দ্বিতীয় পর্ব)


সরীসৃপ

সরীসৃপ প্রোটিনের একটি ভাল উৎস এবং এদের ধরা অপেক্ষাকৃত সহজ। সরীসৃপ ধরা বা রান্নার পর হাত ধোয়া আবশ্যক। সরীসৃপ প্রজাতিকে স্যালমোনেলার বাহক বলে মনে করা হয়, যা তাদের ত্বকে স্বাভাবিকভাবেই বিদ্যমান। এদের মধ্যে কচ্ছপ এবং সাপ মানুষকে সংক্রমিত করার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। যদি আপনি অপুষ্টিতে ভোগেন এবং আপনার ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয় তবে স্যালমোনেলার আক্রমণ মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। কাজেই সরীসৃপ জাতীয় প্রাণী সময় নিয়ে ভালভাবে রান্না করুন এবং অবশ্যই রান্নার পরে হাত ধুয়ে ফেলুন। বিশ্বের অধিকাংশ স্থানে প্রচুর পরিমাণে গিরিগিটি রয়েছে। তারা তাদের শুষ্ক এবং ভঙ্গুর চামড়ার জন্য পরিচিত। তাদের প্রতিটি পায়ে পাঁচটি করে আঙ্গুল থাকে। বিষাক্ত গিরিগিটির তালিকায় আছে “গিলা মনস্টার” এবং “ম্যাক্সিকান বিডেড”। গিরিগিটি সাধারণত তাদের মুখ এবং দাঁতে স্যালমোনেলা ভাইরাস বহন করে থাকে সুতরাং এদের রান্নার সময়েও সাবধানতা অবলম্বন করুন। সবচাইতে ভাল হয় যদি লেজের অংশ রান্না করেন, কারণ লেজ রান্না করা যেমন সহজ, তেমনি স্বাদের দিক থেকেও শরীরের অন্যান্য অংশের চেয়ে বেশি উপাদেয়।

কচ্ছপ মাংসের একটি চমৎকার উৎস। ভিন্ন প্রজাতির কচ্ছপের মাংসের স্বাদ ভিন্ন হয়ে থাকে। কচ্ছপে মাংস বেশি থাকে মূলত সামনের এবং পিছন দিকের কাঁধের অংশে, যদিও বড় কচ্ছপগুলোর ঘাড়ের অংশে প্রচুর মাংস থাকতে পারে। ‘বক্স টারটেল’ নামে পরিচিত কচ্ছপগুলি সাধারণত আক্রমণাত্মক হয়ে থাকে এবং এগুলি খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। এরা বিষাক্ত মাশরুম খেয়ে অভ্যস্ত বলে এদের দেহে অত্যন্ত বিষাক্ত পদার্থ তৈরি হয়। রান্না করে এই বিষাক্ত পদার্থ ধ্বংস করা সম্ভব না। এছাড়াও আটলান্টিক মহাসাগরে যেসব ‘হকবিলস’ কচ্ছপ পাওয়া যায় তাদের বক্ষ-গ্রন্থি মারাত্মক বিষাক্ত হয়ে থাকে – সেগুলোও এড়িয়ে চলতে হবে। মনে রাখতে হবে, বিষাক্ত সাপ, কুমির ও বড় বড় কচ্ছপ — প্রতিটি প্রাণীই সার্ভাইভারদের জন্য সুস্পষ্ট বিপদ-স্বরূপ। 

পাখি

সব প্রজাতির পাখিই খাওয়ার যোগ্য; তবে প্রজাতিভেদে পাখির স্বাদ উল্লেখযোগ্য ভাবে পরিবর্তিত হয়। একমাত্র নিউগিনি প্রদেশে প্রাপ্ত এক ধরনের পাখিকে বিষাক্ত বলা যায় যার নাম “পিতহুই”। পাখি শিকারের জন্য বন্য প্রাণীর মতো পাখির আচরণবিধি সম্পর্কেও আপনাকে পরিপূর্ণ ধারনা রাখতে হবে। পায়রা এবং আরও কিছু প্রজাতির পাখির বাসায় নজর রাখলে রাতের বেলায় খুব সহজেই এদের খালি হাতে ধরা সম্ভব। পাখিদের বাসা বোনার একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকে যে সময়ের মধ্যে এরা সহজে বাসা ছেড়ে কোথায় যায় না। 

কোথায় এবং কখন পাখি বাসা বাঁধে এই তথ্য জানা থাকলে এদের ধরা সহজ হয়ে থাকে। পাখিরা নিয়মিত তাদের বাসা থেকে খাদ্য বা পানির খোঁজে বের হয়ে থাকে। সতর্কতার সাথে এদের বিচরণ এলাকা পর্যবেক্ষণ করলে এবং সুবিধা-মত জায়গা খুঁজে পেলে এদের শিকার করা কঠিন কিছু না। বাসস্থান এবং পানি খাওয়ার স্থান এদের ফাঁদ পেতে ধরার উপযোগী জায়গা। পাখির বাসা থেকে আমরা খাদ্যের আরও একটা উৎস — ডিম পেয়ে থাকি। একটি পাখির বাসা থেকে সবগুলো ডিম সংগ্রহ না করাই উত্তম। দুই একটি ডিম রেখে দিন এবং পরবর্তীতে পাখি আরও ডিম পারবে শূন্যস্থান পূরণ করার জন্য। আর অবশ্যই যে বাসা থেকে ডিম সংগ্রহ করবেন তা চিহ্নিত করে রাখতে ভুলবেন না।

স্তন্যপায়ী প্রাণী

স্তন্যপায়ী প্রাণী প্রোটিনের চমৎকার উৎস। স্তন্যপায়ী প্রাণী শিকারে কিছু প্রতিকূলতা আছে। প্রতিকূল পরিবেশে স্তন্যপায়ীদের জন্য ফাঁদ পাতলে তাদের পক্ষে সেটা সহজেই বুঝে ফেলার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রায় সব স্তন্যপায়ী প্রাণীর দাঁত আছে এবং প্রায় সবাই আত্মরক্ষার তাগিদে আপনাকে কামড়ে দিতে পারে।। এমনকি একটি ছোট কাঠবিড়ালির আক্রমণ বাঁ কামড় থেকেও মারাত্মক ইনফেকশন হতে পারে। এছাড়াও, কোনও মা স্তন্যপায়ী তার সন্তানদের প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক হতে পারে। স্তন্যপায়ী প্রাণীরা পালানোর সুযোগ না পাওয়া পর্যন্ত আপনাকে আক্রমণ করতেই থাকবে।

সমস্ত স্তন্যপায়ী খাবার উপযোগী; তবে,  মেরু ভাল্লুক এবং দাড়ি-যুক্ত সিল তাদের যকৃতে অত্যধিক মাত্রার ভিটামিন এ ধারণ করে যা আমাদের জন্য বিষাক্ত। অস্ট্রেলিয়া এবং তাসমানিয়ার প্ল্যাটিপাস একটি অর্ধ-স্তন্যপায়ী প্রাণী (এরা ডিম থেকে বাচ্চা ফুটায়) যার পায়ের আঙ্গুলে বিষাক্ত নখর রয়েছে

ফাঁদ

একজন নিরস্ত্র সার্ভাইবারের জন্য, অথবা রাইফেলের তীব্র শব্দ এড়ানোর জন্য ফাঁদ পেতে শিকার করা একটি ভালো বিকল্প ব্যবস্থা। ফাঁদ পাতার বেশ কিছু চমৎকার উপায় রয়েছে যা কিনা রাইফেল দিয়ে শিকার করার চাইতেও ফলপ্রসু।ফাঁদ কার্যকর করার জন্য আপনাকে অবশ্যই — 

  • যে প্রজাতি ধরতে চান, সে প্রজাতির প্রাণীর পরিচিতি জানতে হবে।
  • সঠিক ফাঁদ নির্মাণ সম্পর্কে ধারনা থাকতে হবে।
  • আপনার উপস্থিতির চিহ্ন রেখে এসে প্রাণীদের সতর্ক করে দেয়া যাবে না।
  • বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর জন্য একই ধরনের ফাঁদ পাতা সম্ভব না। আপনি কি প্রজাতির প্রাণী শিকার করতে চান সেই অনুযায়ী ফাঁদ নির্ধারণ করতে হবে।

শিকারের প্রকৃতি বা ফাঁদ পাতার উপযুক্ত স্থান সম্পর্কে ধারণা নিতে নিচের নিদর্শন গুলোর দিকে নজর রাখুন:

  • প্রাণীদের দৌড়ানোর দাগ
  • পায়ের ছাপ
  • বিষ্ঠা
  • চিবানো বা অর্ধেক খেয়ে রেখে যাওয়া গাছ লতা পাতা
  • আবাস বা বিশ্রামের জায়গা
  • পানি খাবার জায়গা। 

প্রাণীদের চলাচলের স্পষ্ট নিদর্শন আছে এমন স্থানে আপনার ফাঁদ পাতুন। আপনাকে অবশ্য পায়ের ছাপ দেখে বুঝতে হবে এটা প্রাণীদের নিয়মিত হাটার পথ নাকি দৌড়ে যাবার চিহ্ন। হাঁটা পথে বিচ্ছিন্ন ভাবে একই সাথে অনেক প্রাণীর পায়ের ছাপ দেখা যাবার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু দৌড়ানোর চিহ্ন খুব একটা বিচ্ছিন্ন হবে না এবং একাধিক প্রাণীর ছাপ থাকবে না। আপনি একটা নিখুঁত ফাঁদ বানিয়ে যদি গাছপালার মধ্যে এলোমেলো ভাবে স্থাপন করেন তাহলে ফাঁদে কিছুই ধরা পড়বে না। প্রাণীদের বিশ্রামের, পানি খাবার এবং খাবার গ্রহণের আলাদা আলাদা জায়গা থাকে এবং তাদের পায়ের চিহ্ন ধরে আপনি এক জায়গা থেকে আরেক জায়গা সহজেই খুঁজে বের করতে পারবেন। ভালো ফলাফলের জন্য আপনাকে এই সকল স্থানের আশে পাশে ফাঁদ পাততে হবে। 

আপনি যদি শত্রু-পূর্ণ এলাকায় থাকেন তাহলে ফাঁদের অস্তিত্ব গোপন রাখাটাও একই রকম গুরুত্বপূর্ণ। ফাঁদ পাতার সময় এমন কোন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা উচিৎ নয় যাতে করে প্রাণীরা সতর্ক হয়ে যায় এবং আপনার ফাঁদ এড়িয়ে চলে। কাজেই, আপনাকে যদি গর্ত খুঁড়তে হয় তাহলে গর্তের আশে পাশে আলগা মাটি বা ময়লা আবর্জনা এমন কিছু ফেলে রাখবেন না, যাতে করে গর্ত করা হয়েছে সেটা বোঝা যায়। বেশির ভাগ প্রাণী সহজাত প্রবৃত্তিতেই এমন ফাঁদ এড়িয়ে যাবে। ফাঁদ পাতার স্থান থেকে দূরে ফাঁদ তৈরি করে এদেরকে ফাঁদের স্থানে বহন করে নিয়ে গিয়ে তারপর পাতুন। এই পদ্ধতিতে আপনি সহজেই প্রাণীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার সম্ভাবনা কিছুটা কমাতে পারবেন। ফাঁদ পাতার জন্য সদ্য কাটা ঢাল-পালা ব্যবহার করবেন না। সদ্য কাটা ঢাল-পালা থেকে কষ বের হবার সম্ভাবনা থাকে যার গন্ধ প্রাণীরা খুব সহজেই সনাক্ত করতে পারবে। এটা তাদের জন্য একটা সতর্কতা সংকেত।     

পাতা ফাঁদের আশ পাশ থেকে মানব দেহের গন্ধ মুছে ফেলার বা অন্য গন্ধ দিয়ে ঢেকে দেবার চেষ্টা করুন। পাখিরা যদিও গন্ধের উপর নির্ভরশীল নয়, কিন্তু প্রায় সকল স্তন্যপায়ী প্রাণী তাদের দৃষ্টির চাইতে গন্ধ শোঁকার ক্ষমতার উপর বেশি নির্ভরশীল। মানবদেহের সামান্যতম গন্ধ থাকলেও প্রাণীরা সতর্ক হয়ে যাবে এবং আপনার ফাঁদ এড়িয়ে চলবে। মানবদেহের গন্ধ দূর করা বেশ কঠিন হলেও গন্ধ ঢেকে ফেলা তুলনামূলক সহজ। এজন্য আগেই শিকার করা অন্য কোন প্রাণীর পিত্ত-থলি বা মূত্রাশয়ের তরল ব্যবহার করতে পারেন। তবে কখনোই ভুলেও মানুষের প্রস্রাব ব্যবহার করবেন না। যেখানে নিয়মিত গাছের লতা পাতা পচে এমন স্থানের কাদাও বেশ ভালো কাজে দেবে। ফাঁদ ধরার আগে আপনার হাত কাদায় মাখিয়ে নিন এবং ফাঁদ স্থাপনের আগে ফাঁদের গায়ে কিছুটা কাদা লেপটে দিন। পৃথিবীর প্রায় সব প্রান্তের প্রাণী পোড়া গাছ বা লতা পাতার গন্ধ সনাক্ত করতে পারে এবং খুব আগ্রহ নিয়ে শুঁকতে আসে; শুধুমাত্র দৃশ্যমান আগুন দেখলেই তারা সতর্ক হয়ে উঠে। কাজেই - ফাঁদের বিভিন্ন জায়গায় ধোঁয়ার সেঁকা দিয়ে আপনি সহজেই আপনার গন্ধ লুকাতে পারেন। যদি উপরের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করা সম্ভব না হয় এবং আপনার হাতে যথেষ্ট সময় থাকে তাহলে ফাঁদটা কিছুদিনের জন্য খোলা জায়গায় ফেলে রেখে তারপর বসান। খোলা জায়গায় প্রাকৃতিক পরিবেশে ফেলা রাখা সময়ে ফাঁদটা হাত দিয়ে ধরতে যাবেন না। ফাঁদ বসানোর পর তাকে যথাসম্ভব প্রাকৃতিক উপকরণ ব্যবহার করে প্রকৃতির সাথে মিশিয়ে দিতে চেষ্টা করুন। এতে করে আপনি শত্রুর দৃষ্টি আকর্ষণ করা থেকে যেমন রক্ষা পাবেন, তেমনি বন্য প্রাণীরাও সহজে সনাক্ত করতে পারবে না। 

প্রাণীদের নিয়মিত হাঁটা পথে ফাঁদ পাতার সময় হাঁটা পথ ধীরে ধীরে সরু করে প্রাণীকে ফাঁদে টেনে আনার ব্যবস্থা করা উচিৎ। ফাঁদে টেনে আনার জন্য পথটাকে করতে হবে ফানেল আকৃতির, যার চিকন মুখটা থাকবে ফাঁদের সামনে। পথকে ফানেল আকৃতির করার সময় খেয়াল রাখতে হবে প্রাণীরা যেন বিপদের আঁচ করতে না পারে। নিশ্চিত করতে হবে একবার ফানেলে প্রবেশে করলে প্রাণী যেন ডানে বা বামে যেতে না পারে এবং বাধ্য হয় ফাঁদে ধরা দিতে; যদিও কিছু প্রাণী পিছনে ফিরে যাবে। এই চ্যানেল বানাতে পথের মধ্যে কঠিন বাঁধার সৃষ্টি করতে হবে ব্যাপারটা মোটেও কিন্তু তেমন নয়। চ্যানেলটা এমন ভাবে বানাতে হবে যেন আশে পাশে যাওয়াটা প্রাণীদের জন্য কিছুটা বিরক্তিকর হয়। সবচেয়ে ভালো ফলাফলের জন্য চ্যানেলের প্রস্থ হতে হবে; যে প্রাণীটাকে ফাঁদে ফেলতে চান, তার প্রস্থের চেয়ে সামান্য বেশি।  

টোপের ব্যবহার:

ফাঁদে টোপের ব্যবহার প্রাণীকে ধরার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। মাছ ধরার সময় প্রায় সকল যন্ত্রপাতিতেই টোপ ব্যবহার করতে হয়। টোপ ছাড়া পাতা ফাঁদের সফলতা অনেকাংশে নির্ভরশীল ফাঁদটা কতটা ভালো জায়গায় পাতা হয়েছে তার উপর। ফাঁদে টোপ থাকা মানে তা প্রাণীদের ফাঁদের দিকে আকৃষ্ট করে। টোপ এমন কিছু হওয়া উচিৎ যা প্রাণীর কাছে পরিচিত। আবার টোপ এমন কিছু হওয়া উচিৎ না যেটা খুবই সহজলভ্য। উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে ভুট্টা ক্ষেতের মাঝে যদি ভুট্টা দিয়ে টোপ দেয়া হয় তাহলে সেটা মোটেই কার্যকরী হবে না। আবার একই ভাবে কোন এলাকায় যদি ভুট্টা না হয় তাহলে ভুট্টা দিয়ে টোপ দেয়া হলে সেটা প্রাণীকে যেমন কৌতূহলী করে তুলবে তেমনি সতর্কও করে দেবে। এরকম পরিস্থিতিতে টোপ লোভনীয় হলেও শিকার সেই টোপের প্রতি আকৃষ্ট হবে না। ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণীদের সহজেই আকৃষ্ট করে এমন একটি টোপ হচ্ছে চিনাবাদাম; লবণও খুব চমৎকার টোপ। এ ধরনের টোপ ব্যবহার করলে ফাঁদের আশেপাশে কিছু টোপ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখুন যেন প্রাণীটা কিছু খাবার চেখে দেখতে পারে এবং আরও খাবারের জন্য আকাঙ্ক্ষা বোধ করে। এরকম ক্ষেত্রে প্রাণীটা কিছুটা অসতর্ক হয়ে পড়বে এবং তার ফাঁদে ধরা পড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।

আপনি যদি এক প্রজাতির প্রাণীর জন্য টোপ দিয়ে ফাঁদ পেতে থাকেন এবং অন্য কোন প্রজাতির প্রাণী ফাঁদে ধরা না দিয়েই টোপ খেয়ে চলে যায়, তাহলে নতুন এই প্রাণীটিকে সনাক্ত করার চেষ্টা করুন। তারপর এই টোপ দিয়েই তার জন্য উপযুক্ত ফাঁদ পাতুন। 

সার্থকতার সাথে একটি প্রাণীকে ফাঁদে আটকানোর সাথে সাথে আপনার নিজের প্রতি যেমন বেড়ে যাবে না,  তেমনি আপনি আরও ফাঁদ পাতার মতো টোপের জোগানও পেয়ে যাবেন।

--

* লেখাটি সার্ভাইভাল গাইড ফিচারের অন্তর্ভূক্ত।


পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষায় থাকুন... আপডেট পেতে লাইক দিন GleeEra-র ফেসবুক পেজে